JNU এর টুকরে টুকরে গ্যাং এবং দেশবিরোধী শ্লোগান দেওয়া উন্মাদীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যাবস্থা নেওয়ার পদক্ষেপ শুরু হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে কিছু নেতা এই দেশদ্রোহীদের সমর্থনে দাঁড়িয়ে পড়েছেন। মেহেবুবা মুফতি আগেই কানহাইয়া কুমারের সমর্থনে দাঁড়িয়ে পড়েছেন এবং এখন কংগ্রেসও এই দেশদ্রোহীদের বাঁচানোর জন্য নেমে পড়েছে। শুধু এই নয় কানহাইয়া কুমার, উমর খালিদের মতো দেশদ্রোহীদের বাঁচানোর জন্য দেশদ্রোহী সংক্রান্ত কানুনকে মুছে ফেলার দাবি জানিয়েছেন কংগ্রেস। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী কংগ্রেস নেতা কপিল সিব্বাল দেশদ্রোহী কানুন এর উপরে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। কপিল সিব্বাল বলেছেন আজকের সময়ে দেশদ্রোহী কানুনের কোনো প্রয়োজন নেই, এই আইনকে এবার মুছে ফেলা দরকার। কপিল সিব্বাল আরো বলেন, এই আইনের দুর্ব্যবহার করে ক্ষমতায় বসে থাকা লোকেরা।
যারা দেশের সংস্থার সাথে খেলা করে তাদের দেশদ্রোহী আইনের আওতায় আনা উচিত। কপিল সিব্বাল কানহাইয়া কুমার, উমর খালিদের মতো দেশদ্রোহীদের বাঁচানোর জন্য মাঠে নেমে পড়েছে তা এই মন্তব্য থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়। কপিল সিব্বাল এর মন্তব্য জুড়ে রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে। কিছুজনের বক্তব্য, যদি কংগ্রেস কোনোভাবে ক্ষমতায় চলে আসে তাহলে দেশদ্রোহী আইনকে মুছে দেবে কারণ রাহুল গান্ধী সেই ব্যক্তি যিনি সর্বপ্রথম JNU ছাত্রদের সমর্থনে দাঁড়িয়েছিলেন।

রাহুল গান্ধী কংগ্রেস নেতা হলেও উনার এজেন্ডা বামপন্থীদের সাথে অনেকটা মিল খায়। এই কারণে রাহুল গান্ধী নিজে JNU ক্যাম্পাস পৌঁছে কানহাইয়া কুমারদের সমর্থন জানিয়েছিলেন। জানিয়ে দি, JNU তে ভারত বিরোধী শ্লোগান চলছিল তা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকাকালীন দেশদ্রোহী কোনো কড়া আইন তৈরি করেনি উল্টে যে আইন রয়েছে সেটাকে মুছে ফেলার দাবি তুলেছে।
মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে একের পর এক বড় আইন তৈরি করেছে যা মুছে ফেলার কথা তুলেছে কংগ্রেস। জমি বাজেয়াপ্ত করার উপর মোদী সরকার যে আইন তৈরি করেছে তাতে সরকারি এজেন্সিরা সহজেই টাকা লুট করে পালিয়ে যাওয়া পলতকদের জমি কবজা করতে পারে। কিন্তু কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে সমস্থ আইন মুছে ফেলবে তার সংকেত দিয়ে দিয়েছে।
from India Rag Bengali : Bangla Khobor, বাংলা খবর, Bangla News, 24 Ghanta, ei samay, ebela http://bit.ly/2Hjfhei
Bengali News