-->
Powered by Blogger.

Featured post

রুশ ইউক্রেনের টক্কর এখন অতীত! পাকিস্তানের মাটিতে পড়ল ভারতের সুপারসনিক মিসাইল

“বুদ্ধিমানের জন্য ইশারাই যথেষ্ট”-ভারতের (India) ডিফেন্স মিনিস্টার থেকে সম্প্রতি এক বার্তা আসার পর বিশেষজ্ঞরা একথা বলছেন। শুক্রবার পাকিস্তান...

Popular Posts

মাথায় নেই হেলমেট, নেই গাড়ির নাম্বার! এরপরেও ১৪০০ কিমি সফর? রাজিয়া বেগমকে নিয়ে বিতর্কের ঝড়

- April 10, 2020

নয়া দিল্লীঃ করোনাভাইরাসের কারণে গোটা ভারতে লকডাউন চলছে। যারা যেখানে আছে, তাঁরা আর সেখান থেকে কোথাও যেতে পারছে না। আবার অনেক মানুষ এমনও আছে, যারা লকডাউনের কারণে নিজের পরিবার, পরিজনের থেকে দূরে অন্য জায়গায় ফেঁসে আছে। আর এই কারণেই তেলেঙ্গানার এক মহিলা তাঁর ছেলেকে বাড়ি ফেরানোর জন্য ১৪০০ কিমি স্কুটিতে সফর করেছেন।

ওই মহিলার সফরের খবর সামনে আসার পরেই সবাই আইন শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তোলা শুরু করেছে। মানুষের মুখে প্রশ্ন এখন একটাই, দেশের বিভিন্ন অংশে অনেক অনেক মানুষ ফেঁসে রয়েছেন, পুলিশকি তাঁদের বাড়ি ফেরার অনুমতি দেবে?

যখন গোটা দেশে লকডাউনের জন্য মানুষকে ঘরে থাকার নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। তখন এই মহিলা এতদূর গেলো কি করে? পুলিশ প্রশাসনকি ওনাকে এরজন্য অনুমতি দিয়েছে? এটা কি লকডাউনের নিয়মের লঙ্ঘন না? এরকম নানান প্রশ্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।

একজন লেখেন, আমার বন্ধুর ছেলে পুনেতে ফেঁসে আছে, আমার প্রতিবেশীর পরিজন লকডাউনের কারণে প্রয়াগরাজের হোস্টেলে ফেঁসে আছে। সবার মা-বাবাই চাইছে তাঁর সন্তান বাড়ি ফিরে আসুক, পুলিশকি এদের বাড়ি ফেরার অনুমতি দেবে? পুলিশ এই মহিলাকে অনুমতি কেন দিলো? এটাই কি এমার্জেন্সি?

তেলেঙ্গানার নিজামাবাদের বাসিন্দা রাজিয়া বেগম (Rajiya Begum) অন্ধ্রপ্রদেশের নেল্লোরে ফেঁসে যাওয়া নিজের ছেলেকে আনার জন্য স্কুটি করে যান। নিজামাবাদ থেকে নেল্লোরের দুরত্ব ৭০০ কিমি। রাজিয়া বেগম নিজামাবাদ থেকে নেল্লোর সোমবার যান আর বুধবার বিকেলে নিজের ছেলেকে নিয়ে বাড়ি ফিরে আসেন।

৪৮ বছরের রাজিয়া বেগম জানান, আমার ছোট পরিবার। দুটি ছেলে আছে আর আমার স্বামীর মৃত্যু ১৫ বছর আগেই হয়েছে। বড় ছেলে ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে গ্র্যাজুয়েট করেছে আর ছোট ছেলে এখনো পড়াশুনা করছে। সে ডাক্তার হতে চায়। সে লকডাউনের কারণে নেল্লোরে ফেঁসে যায়। আমি বোধানের এসপিকে আমার পরিস্থিতি জানাই, আর তিনি আমাকে যাত্রা করার জন্য অনুমতি দেয়।

রাজিয়া জানান, তাঁর ছেলে নিজামুদ্দিন ১২ই মার্চ নিজেদের বন্ধুকে ছাড়তে নেল্লোর গেছিল। আর এরই মধ্যে করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউন শুরু হয়ে যায় এবং সে সেখানেই ফেঁসে যায়।

উনি বলেন, একজন মহিলার জন্য টু হুইলারে সফর করা সহজ ছিল না। কিন্তু ছেলেকে ফিরিয়ে আনার জন্য আমার ইচ্ছাশক্তির সামনে ভয় হেরে যায়। আমি খাওয়ার প্যাক করে সফরের জন্য বেরিয়ে পড়ি। উনি জানান, রাস্তা ফাঁকা ছিল আর এরজন্য আমি ভয়ও পেয়েছিলাম। কিন্তু আমি সাহস হারাইনি। রাজিয়া বেগম নিজামাবাদের একটি সরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা।



from India Rag https://ift.tt/2UY2wKM
Bengali News
 

Start typing and press Enter to search