পুরো বিশ্বে ভাইরাস ছড়িয়ে তারপর এন্টি ডট বিক্রি করে বড় মুনাফা উঠিয়ে নিতে মাঠে নেমেছিল চীন।
চীন চেয়েছিল ভারত, আমেরিকা এবং ইউরোপের বাজারে নিজের আধিপত্য বিস্তার করতে। সেই কারণে চীন তাঁদের দেশে ৬০-৭০ শতাংশ কারখানা খুলে দিয়েছিল। এবং ১১০-১১৫ আরব ডলার এই কারখানায় উৎপাদিত কাচামালের জন্য ব্যয় করেছিল। অর্থাৎ অর্থনীতির একটা বিরাট অংশ তুলে দেয় নতুন করে দ্রব্য প্রস্তুতির জন্য। এতকিছু করেও চীনের কিন্তু খুব একটা সুবিধা হল না। জিনিস উৎপাদন করলেও, তা ঠিকমতো রপ্তানি করতে পারছে না চীন।

কারণ সমস্ত দেশ চীনের ত্রুটিপূর্ন চিকিৎসার সরঞ্জাম দেওয়ার নিন্দায় নেমে পড়েছে। লক্ষণীয় বিষয় এই যে, চীন নিজের বন্ধু পাকিস্তানকেও জাঙ্গিয়া থেকে তৈরি মাস্ক দিয়ে ঠকিয়েছে। যার দরুন সকল দেশ চীনের চিকিৎসার সরঞ্জাম ফিরিয়ে দিতে শুরু করেছে। গত ১৫-২০ দিনের মধ্যে মাত্র ২.৩ বিলিয়ন ডলার অর্থের জিনিস যেমন মাস্ক এবং ভেন্টিলেটর রপ্তানি করতে পেরেছে চীন। মহামারির পরিস্থিতিতে লকডাউন তুলে দিয়ে ১১০-১১৫ আরব ডলার ইনভেস্ট করেছিল দ্রব্য উৎপাদনের জন্য। চীনের আশা ছিল প্রচুর পরিমাণে মুনাফা লাভ করতে পারবে।
কিন্তু তাঁদের সেই আশায় সম্পূর্ণ জল ঢালা যায়। কারণ পুরো বিশ্বের কোনো দেশ এখন চীন থেকে ই
ওষুধ বা চিকিৎসার সরঞ্জাম কিনতে রাজি নয়। উল্টে সমস্ত দেশ ভারত থেকে ওষুধ নেওয়ার জন্য লাইন লাগিয়ে দিয়েছে। এখনও অবধি ৩০ টি দেশ ভারতকে ওষুধ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে।

করোনা ভাইরাসের প্রভাবের আগে চীনের যেসকল বন্ধু দেশ ছিল, এমনকি চীন যাদেরকে বন্ধু বানাতে আগ্রহী হয়েছিল, তারাও এখন চীনের বিরুদ্ধে কথা বলছে। সাহায্য করার নাম করে ত্রুতিপূর্ণ চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠিয়ে স্পেন, তুর্কি, ফিনল্যান্ড নেপাল, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি প্রমুখ দেশকে ঠকিয়েছে চীন। নিম্নমানের মাস্ক, টেস্ট কিট ইত্যাদি পাঠানোর ফলে এখন সেইসব দেশ চীনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে। ধীরে ধীরে এইসব দেশগুলো চীনকে তাঁদের পাঠানো দ্রব্য এখন ফেরত পাঠাচ্ছে।
from India Rag https://ift.tt/3cawH7r
Bengali News