অভিশপ্ত ১৪ই ফেব্রুয়ারির দিনে দেশের ৪৪ জওয়ান আত্মঘাতী জঙ্গি হামলায় শহীদ হয়েছিলেন। সেই শোকে গোটা দেশ আক্রান্ত। কিন্তু কিছু মানুষ এমনও আছে যারা এই দেশেই থেকে এদেশের শহীদ হওয়া জওয়ানদের জন্য শোক পালন না করে, জঙ্গিদের সমর্থনে উল্লাস করছে। তাঁদের মধ্যে ইসলামিক কট্টরপন্থী, বামপন্থী এবং স্বঘোষিত মানবতাদাবী রাও আছে।
এর সবাই জৈশ এ মহম্মদ এর জঙ্গিদের সমর্থন করেছিল। বেশিরভাগ মানুষই সোশ্যাল নেটওয়ারকিং সাইটে এসে জঙ্গিদের সমর্থনে কথা বলেছিল। আর এর ফলে তাঁরা হাতে নাতে ধরাও পরে যায়। ওদের এই কর্মকাণ্ডে দেশবাসী অন্তত এটুকু বুঝতে পেরেছে যে, আমাদের দেশের শত্রু যতটা না সীমান্তের ওপারে আছে, তাঁর থেকে বেশি আমাদের দেশেই আছে।
এরকম বেশ কিছু ঘটনা যোগীর রাজ্য উত্তরপ্রদেশ থেকেও দেখা গেছে। কিন্তু সেখানে জঙ্গি সমর্থক আর পাক প্রেমীদের রেহাই দেওয়া হয়নি। তাঁদের চিহ্নিত করে ধোলাই দিয়েছে ইউপির পুলিশ এবং জনতা। এরকম একটা ঘটনা দেখা গেছে উত্তর প্রদেশের রাজধানী লখনৌ থেকে।
लखनऊ के मामले है…कृष्णा नगर थाने का…इनकी चर्बी बढ़ गयी थी इसने व्हाट्सएप्प पर देश विरोधी बाते शेयर की थी…और सेना के खिलाफ आपत्तिजनक मैसेज भेजा अब नप गए है #PulwamaAttack pic.twitter.com/d1K6scp9SO
— पिंकू शुक्ला (@shuklapinku) February 16, 2019
সেখানে রজব খান নামের এক ব্যাক্তি পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার পর চরম উল্লাস দেখিয়েছিল। এমনকি সেটাকে ভারতের বিরুদ্ধে করা পাকিস্তানের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও আখ্যা দিয়েছিল সে। কিন্তুপুলিশের কানে খবর যেতেই মাথায় বাজ পরল রজব খান এর।
লখনৌ পুলিশ অভিযুক্ত পাক প্রেমী রজব খানকে ধরে আচ্ছা করে ধোলাই করেছে। এখন থানায় গিয়ে রজব খান শুধু আব্বা-আব্বা করে চেঁচাচ্ছে। কারণ যোগীর পুলিশ পেদিয়ে ওই ব্যাক্তির পিছন লাল করে দিয়েছে। পাক প্রেমী রজব এখন বুঝতে পারছে সে কোন দেশে থেকে কার সমর্থন করেছে!!
লখনৌ পুলিশের এই ঘটনার পর হয়ত কোন মানবতাবাদী সংগঠন রজবের পাশে দাঁড়িয়ে লখনৌ পুলিশকে কাঠগড়ায় তুলতে পারে। কিন্তু আমাদের দেশে থেকে আমাদের দেশের বদনাম আর দেশের সেনার মৃত্যুতে উল্লাস সহ্য করার মত কাজ না। আজ মানবতাবাদী ও বামপন্থীরা বলতে পারে, এদেশে সংবিধানে বাক স্বাধীনতার গুরুত্ব দেওয়া আছে।
কিন্তু সেই বাক স্বাধীনতা যে দেশ বিরোধী হবে সেটা কি সংবিধানে লেখা আছে? সংবিধানের কোথাও কি লেখা আছে যে, এদেশে থেকে এদেশের দুর্নাম করা যাবে? সংবিধানে এটাও কি লেখা আছে যে, দেশের সেনা শহীদ হলে সেটাকে নিয়ে উল্লাস করা যাবে? সংবিধানে এটাও তো লেখা নেই যে, এদেশে থেকে শত্রু দেশ এর জয়গান করা যাবে!
ভারতে থেকে, ভারতে পড়ে, ভারতের খেয়ে যারা পাকিস্তানের গুণগান গাইবে তাঁদের শাস্তি পেতেই হবে। জয় হিন্দ।
from India Rag Bengali : Bengali News, বাংলা খবর, Bangla News, Bangla Khobor, 24 Ghanta, ei samay, ebela http://bit.ly/2S861cQ
Bengali News