বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের মধ্যে অন্যতম নীলস বোর বলেছিলেন, আমি যখন কঠিন প্রশ্নের মধ্যে আটকে পড়ি তখন উপনিষদের অধ্যয়ন করি। তবে নীলস বোরের মতো মহান বিজ্ঞানী এমন কথা বললেও বৰ্তমান ভারতেই এমন কিছু স্বঘোষিত বুদ্ধিজীবী রয়েছেন যারা নিজেদের কু-যুক্তি দিয়ে হিন্দু জ্ঞানের ঠাট্টা তামাশা করার চেষ্টা করেন।
ভারতে এমন অনেকে স্বঘোষিত লেখক,দার্শনিক, কবিও রয়েছেন যারা হিন্দু সংস্কৃতিকে পিছিয়ে পড়া দেখানোর চেষ্টা করে। অবশ্য বহু বিদেশী দার্শনিক, লেখক রয়েছেন যারা সনাতনী গ্রন্থ ও হিন্দু জ্ঞানের আসল শক্তিকে সামান্য হলেও চিনতে বুঝতে পারেন। এমনকি এক মহান দার্শনিক ছিলেন ফ্রঁসোয়া-মারি আরুয়ে (François-Marie Arouet)যিনি ভলতেয়ার নামে বিশ্বজুড়ে খ্যাত।

ফ্রঁসোয়া ভলতেয়ার (Voltaire) তার আমলে সর্বাধিক খ্যাতি সম্পন্ন লেখক ছিলেন। পশ্চিম দেশের এই লোকপ্রিয় দার্শনিক বলতেন, আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি যে সমস্ত জ্ঞানের উদ্ভবস্থান ভারত। ভূগোল, জ্যোতির্বিজ্ঞান, পরজন্ম ইত্যাদির সমস্ত জ্ঞান গঙ্গার তট থেকে এসেছে বলে মনে করতেন এই মহান দার্শনিক।
রেখা গণিতের বিষয়ে বলতে গিয়ে ভলতেয়ার বলতেন, আয়োনীয় গ্রিক দার্শনিক তথা গণিতবিদ পিথাগোরাস গণিতের জ্ঞান ভারত ভ্রমন করেই পেয়েছিলেন। প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, পিথাগোরাসের বৰ্তমান থিওরি উনার জন্মের আগে থেকে ভারতবর্ষের বিভিন্ন গুরুকূলে পড়ানো হতো। তবে এই থিওরি সেই সময় মহর্ষি বধায়ণ এর নাম অনুসারে পড়ানো হতো। পরে ইংরেজ আমল থেকে ভারতে পিথাগোরাসের নাম বেশি জনপ্রিয় করা হয় অন্যদিকে ভরাতের ঋষি মুনি পন্ডিতদের নাম বিলুপ্ত করার চেষ্টা চালানো হয়।

ভোলতেয়ার এটাও বলতেন হিন্দুদের বেদ পৃথিবীর জন্য সবথেকে দামি উপহার যার জন্য পশ্চিম সর্বদা ভারতের কাছে ঋনী হয়ে থাকবে। প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, ভলতেয়ার এমন একজন দার্শনিক ছিলেন যার লেখায় সনাতনী চিন্তাধারা পদে পদে ফুটে উঠেছে। EMPIRICISM RELIGIOUS TOLARENCE লেখায় উনার উপর সনাতনী হিন্দু সংস্কৃতির প্রভাব খুবই স্পষ্টভাবে লক্ষ করা যায়।
from India Rag https://ift.tt/2NzhVgk
Bengali News