-->
Powered by Blogger.

Featured post

রুশ ইউক্রেনের টক্কর এখন অতীত! পাকিস্তানের মাটিতে পড়ল ভারতের সুপারসনিক মিসাইল

“বুদ্ধিমানের জন্য ইশারাই যথেষ্ট”-ভারতের (India) ডিফেন্স মিনিস্টার থেকে সম্প্রতি এক বার্তা আসার পর বিশেষজ্ঞরা একথা বলছেন। শুক্রবার পাকিস্তান...

Popular Posts

ভারত ছেড়ে পালিয়ে গেছিল Yes Bank এর সংস্থাপক! লোভ দেখিয়ে ভারতে এনে গ্রেফতার করেছে মোদী সরকার

- March 08, 2020

নয়া দিল্লীঃ Yes Bank এর কর্ণধার রানা কাপুরের (Rana Kapoor) উপর ইডির পদক্ষেপের পর এবার সিবিআইও তদন্তে নামছে। ইডি অভিযোগ করে জানিয়েছে যে, রানা কাপুর লোন দেওয়ার নামে ৬০০ কোটি টাকার ঘুষ নিয়েছিল। আপাতত রানা কাপুরকে আদালত তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে। গত বছর জানুয়ারি মাসে রানা কাপুর রিজার্ভ ব্যাংকের (RBI) নির্দেশে CEO এর পদ ছেড়েছিল।

এরপর রানা কাপুর লন্ডন চলে গেছিল। আর এর মধ্যে প্রশ্ন উঠছিল যে, যখন সে জানতে পেরেছিল যে ব্যাংকে এতবড় গণ্ডগোল হয়ে গেছে, তাহলে সে ভারতে ফেরত আসলো কেন? তাঁর ভারতে ফেরত আসা সহজ ছিল না। মোদী সরকার (Modi Sarkar) আর আরবিআই (RBI) এর জন্য পুরো প্ল্যান তৈরি করেছিল।

ইংরেজি সংবাদ মাধ্যম টাইমস অফ ইন্ডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, রানা কাপুরের সরে যাওয়ার পর সরকার ডুবে যাওয়া পয়সা বাঁচানোর জন্য প্ল্যান তৈরি করেছিল। সরকার চাইছিল যে, জনতার ব্যাংক থেকে যেন ভরসা উঠে না যায়। এরপর সরকার আর আরবিআই বিনিয়োগকারীদের তল্লাশি শুরু করে দেয়।

সংবাদ মাধ্যম দাবি করে যে, গত আট মাসে আরবিআই তিনটি আলাদা আলদা বিনিয়োগকারীর সাথে কথা বলে, কিন্তু প্রতিবার শেষ মুহূর্তে চুক্তি হতে হতে ক্যান্সেল হয়ে যায়। শোনা যায় যে, রানা কাপুরই বিনিয়োগকারীদের উস্কাচ্ছিল। উল্লেখ্য, রানা কাপুর চাইছিল সে যেন আবার ব্যাংকের পদে ফিরে আসে। লন্ডনে বসে থাকা রানা কাপুর সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপে নজর রাখছিল।

সংবাদ মাধ্যম সুত্র থেকে খবর পেয়ে দাবি করে যে, এরপর মোদী সরকার রানা কাপুরকে ভারতে ফিরিয়ে আনার প্ল্যান তৈরি করে। শোনা যায় যে, সরকার রানাকে জানায় যে, তাঁর ব্যাংকের জন্য কোন বিনিয়োগকারী পাওয়া যাচ্ছে না। আর এই কারণে সে চাইলে ভারতে এসে আবারও একবার ব্যাংকের দায়িত্ব নিতে পারে। কিন্তু যখনই রানা কাপুর ভারতে ফেরত আসে, তখনও সমত এজেন্সি গুলো তাঁকে গ্রেফতার করার জন্য পুরো প্ল্যান তৈরি করে নেয়। আর তাঁরা এটাও নিশ্চিত করে যে, রানা যেন আর ভারত থেকে পালিয়ে না যেতে পারে।

আর এরই মধ্যে রানা কাপুর জানতে পারে যে সরকার আর আরবিআই ইয়েস ব্যাংককে পুনর্জীবিত করতে প্ল্যান বানাচ্ছে। তখন সে আবার দেশ থেকে পালানোর প্রস্তুতি শুরু করে দেয়। সংবাদমাধ্যম অনুযায়ী, মুম্বাইয়ের যেই বিল্ডিংয়ে কাপুর থাকত, সেখানকার সুরক্ষা কর্মী এই খবর এজেন্সিকে দেয়।

১৪ই মার্চ ব্যাংকের বোর্ড মিটিং হওয়ার কথা ছিল। আর সেই দিনেই ব্যাংকের কোয়ার্টার এর ফলাফল আসার কথা ছিল। খারপ ফল হলে দেশের অর্থনীতিতে চাপ পড়ত। সরকারের মধ্যে এই কথা নিয়ে চর্চা হচ্ছিল যে, রানা কাপুরকে কবে গ্রেফতার করা হবে। তাঁকে গ্রেফতার করা হলে ব্যাংকের গ্রাহকদের মধ্যে বিশ্বাস বজায় থাকবে। আর সরকার ইয়েস ব্যাংককে পুনর্জীবিত করার ঘোষণার সাথে সাথে রানা কাপুরকে গ্রেফতার করে নেয়।



from India Rag https://ift.tt/330guhC
Bengali News
 

Start typing and press Enter to search