আপনি যদি একটু হলেও বিদেশনীতি সম্পর্কে ধারণা রাখেন তাহলে এটা অবশ্যই যাবেন যে প্রত্যেক দেশ অন্যদেশের নির্বাচনের উপর লক্ষ রাখে। এটার কারণ নিজের দেশের বিদেশ নীতি, সুরক্ষা নীতি, বাণিজ্য নীতি এই সমস্ত কিছু অন্য দেশের নেতাদের উপর লক্ষ রেখে তৈরি করতে হয়। আমেরিকায় ট্রাম্প থাকলে কি নীতি, হিলারি থাকলে কি নীতি হবে সবকিছু প্রত্যেক দেশ ঠিক করে থাকে। আর রুশের মতো বড়ো দেশ প্রত্যেক দেশে তাদের ইন্টালিজেন্সি বিভাগকে সক্রিয় করে রাখে যারা লাগাতার রুশকে সেই দেশের অভ্যন্তরীণ অবস্থা সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে।
কোন দেশের কি অবস্থা, সেই দেশে কি হবে, কি হবার সম্ভাবনা রয়েছে রি সমস্থ কিছু ইন্টালিজেন্সি এজেন্সি রুশকে লাগাতার প্রেরণ করে যার উপর ভিত্তি করে রুশ নীতি তৈরি করে। রুশ ইন্টালিজেন্সি এজেন্সি বিশ্বের টপ সংস্থা। পুতিন ভারত সফরে এসেছিলেন এবং এখন আবার রুশ ফিরে গেছেন তবে পুতিন মোদীকে রুশ যাওয়ার জন্য নিমন্ত্রন দিয়েছেন। গতকাল পুতিন প্রধানমন্ত্রী মোদীকে এক বিজনেস সামিটে মুখ্য অতিথি হিসেবে রুশ আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ২০১৯ এর এক বিজনেস সামিট অনুষ্ঠানে পুতিন মোদীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এটা পরিষ্কার যে রুশ ইন্টালিজেন্সি পুতিনকে এই রিপোর্ট দিয়েছে যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদে আবার নারেন্ড মোদী বসবেন, যার জন্যই পুতিন সেপ্টেম্বর মাসের বিজনেস সামিটে মোদীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। পরের বছর মে মাসে নতুন সরকার চলে আসবে আর রুশ এটাই মনে করছে যে আবার মোদী নির্বাচন জিতবে।

নরেন্দ্র মোদী যে নির্বাচনে জিতবে এটা ভারতের জনগণের কাছ আগে থেকেই নিশ্চিত রয়েছে। তবে এবার পুতিন ১০০ শতাংশ নিশ্চিত হয়ে মোদীকে আমন্তন জানিয়েছে যা কোনো ছোট খাটো ব্যাপার নয়। যদিও মিডিয়া বিষয়টিকেও এড়িয়ে চলছে।
from India Rag : Bengali News, 24 Ghanta, Bangla News, Ebela, Eisamay, Kolkata News, খবর , https://ift.tt/2OIeO7G