দিল্লির লাল কেল্লা থেকে মুসলিম সম্প্রদায়ের মহিলাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, “কিছু সিস্টেম মুসলিম মহিলাদের জীবনকে নষ্ট করে রেখেছে। কিন্তু আমি দেশের এই পীড়ির মাতা, বোনদের ও মুসলিম মেয়েদের এটা নিশ্চিত করছি যে তাদের ন্যায়ের জন্য আমি কোনো কিছু কমতি রাখবো না। আমি আপনাদের আশা আকাঙ্ক্ষাকে পূর্ণ করেই ছাড়বো।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যা বলেছিলেন সেটা করে দেখালেন। এমনিতে প্রধানমন্ত্রী মোদী তার কথা রাখার জন্য কতটা দায়িত্ববান সেটা পুরো বিশ্ব জানে। কিন্তু এর একবার প্রমান করে দিলেন যে উনি প্রতিজ্ঞা করেন এবং প্রতিজ্ঞাকে পূরণ করেও দেখান। তিন তালাকের মতো কুপ্রথা থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যে মিশন শুরু করেছিলেন, তার প্রচন্ড বিরোধ ও বাঁধা থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী মোদী পূরণ করে দেখিয়ে দিলেন।
যখন ট্রিপল তালাক বিলের বিরুদ্ধে পুরো বিপক্ষ এক হয়ে হাতে কালো সুতো বেঁধে রাস্তায় নেমে পড়েছে তখন মোদী সরকার এর উপর অধ্যাদেশ নিয়ে এসেছে। এই অধ্যাদেশ ৬ মাস জারি থাকবে। শীতকালীন সময়ে এটা সরকার সাংসদে পাশ করাবে। মোদী সরকার এই পদক্ষেপের মাধ্যমে শুধু পুরো বিরোধীদের কড়া জবাব দেয়নি একই সাথে কট্টরপন্থীদের আয়না দেখিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী মোদী এটাও প্রমাণ করে দিয়েছে যে উনি মহিলাদের নেতৃত্বে দেশের বিকাশের পক্ষধর। স্বাধীনতার পর থেকে যেটা কেউ করতে পারেনি সেটা উনি করে দেখালেন। কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, “আজ আমরা একটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে জানাচ্ছি তিন তালাকের উপর অর্ডিন্যান্স অপপ্রভ করছি। আমাদের স্পষ্ট অভিযোগ যে সোনিয়া গান্ধী(আন্তোনিয়া মিয়ানো) একজন বরিষ্ঠ মহিলা নেত্রী হওয়া সত্ত্বেও মহিলাদের উপর এত বড় দমনকারী তিন তালাক প্রথা চলে আসছে কিন্তু উনি চুপ করে বসে থাকেন।”

জানিয়ে দি, আজ ক্যাবিনেট বৈঠকে ত্রিপিল তালাকের উপর এই অধ্যাদেশকে মঞ্জুরি দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে ত্রিপিল তালাক একটা বর্বর কুপ্রথা, যা সমাজে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। লোক সভায় আগেই এই বিল পাস হয়ে রয়েছে রাজ্যসভায় বিরোধীদের জন্য আটকে গেছিলো এই বিল।
The post কট্টরপন্থীদের মুখে ঝামা ঘষে ঐতিহাসিক অর্ডিন্যান্স মঞ্জুর করলো মোদী সরকার! এখন থেকে দণ্ডনীয় অপরাধ হবে ত্রিপিল তালাক। appeared first on India Rag.
from India Rag https://ift.tt/2pmPN40