আসানসোল: ধীরে ধীরে হিন্দুস্থান কেবলসের পরিণতির দিকে এগোচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত বার্ন স্ট্যান্ডার্ড কারখানা? প্রায় তিন মাস ধরে বেতন পাননি কর্মীরা।নতুন ওয়াগন তৈরির অর্ডার হাতে নেই।ফলে প্রবল অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন কর্মীরা।তবে এমন পরিস্থিতি নতুন নয়,কয়েক মাস আগেই এই কারখানাকে দেউলিয়া ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার।কারখানা নিয়ে আগামী ৭ নভেম্বর ন্যাশনাল কোম্পানি ল ট্রাইব্যুনাল (এনসিএলটি)-এ শুনানি রয়েছে।সেই শুনানিতে কারখানার ভবিষৎ মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে যাবে।সহকারী সম্পাদক মানবেন্দ্র ঘোষ বলেন,কারখানা বন্ধ হলে কত টাকা কোন খাতে কর্মীরা পাবেন তা এখনো ঠিক হয়নি।এই তথ্য নেটে দেয়ার কথা থাকলেও আজও দেওয়া হয়নি।এখনও নতুন ওয়াগন ও মেরামতের সংখ্যা ধরা হলে প্রতি মাসে একশটি ইউনিটএর কাজ হচ্ছে।কিন্তু নতুন জোরে আর অর্ডার দেওয়া হয়নি।ফলে অর্ডার এর সংকটের সঙ্গে অর্থ সংকটও ব্যাপকভাবে দেখা দিয়েছে।'সংকটে পড়েছে অন্তত ২৭০ স্থায়ী কর্মীর পরিবার।গত আগস্ট মাস থেকে কর্মীরা বেতন পাচ্ছেন না।জুলাই মাসের বেতন মিলেছে ৪ অক্টোবর।একই সমস্যা ঠিকা কর্মীদের।তাদের বেতনও আটকে রয়েছে।ঠিকা শ্রমিক সংগঠনের নেতা বিভু দাসগুপ্ত বলেন,'টানা ৩০-৩২ বছর কাজ করলেও এখানকার ঠিকা কর্মীদের ঘোষিত বেতন মিললো না।এর সঙ্গে তিন মাস হয়ে গেল ঠিকা কর্মীরা বেতন পায়নি।আমরা এখন ন্যাশনাল কোম্পানি ল ট্রাইব্যুনাল এর দিকে তাকিয়ে।'ভবিষ্যতের ডিউক চেয়ে হতাশ কর্মীরা।তাঁদের কথায় ,'চালু একটি কারখানাকে প্রয়োজন থাকলেও কিভাবে নভেম্বর মাস থেকে বন্ধ করে দেওয়ার মরিয়া চেষ্টা চালানো হচ্ছে তা দেখে আমরা বিস্মিত।আমরা কারখানা বাঁচিয়ে রাখার শেষ চেষ্টা করব।'
Source-eisamay
Source-eisamay