চীনের বিদেশমন্ত্রী হটাৎ কেন শান্তিবাণী শোনাতে শুরু করেছে তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। আসলে চীনকে সামরিকভাবে ঘেরার কাজ শুরু হয়ে গেছে। ভারত নিজের স্তরে কাজ শুরু করেছে, অন্যদিকে জাপান ও আমেরিকাও চীনের উপর হানা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে।
প্রথমত জানিয়ে দি, আমেরিকা পরমাণু হামলায় সক্ষম ৩ টি রণতরী প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের সীমান্তে লাগিয়ে দিয়েছে। আমেরিকা দক্ষিণ চীন সাগরে জিনপিং এর নিঃশ্বাস বন্ধ করে রেখেছে। একই সাথে সূত্রের পাওয়া খবর অনুযায়ী জাপান সুযোগের সদ্ব্যবহার করে চীনকে টার্গেট করে মিসাইল মোতায়েন করে রেখেছে।

জাপান চীনের সীমান্তে PAC-3 মিসাইল মোতায়েন করেছে বলে খবর আসছে। একই সাথে সীমান্তে জাপান নিজের সেনা সংখ্যা বাড়িয়েছে বলেও জানা গেছে। চীন বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি উৎপন্ন করেছে, তার দিকে নজর রেখে জওয়ান এয়ার ডিফেন্স এলার্ট রেখেছে।
ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, সাউথ কোরিয়াও সুযোগের সদ্ব্যবহার করে চিনের প্রতি অন্য মনোভাব প্রকাশ করছে। এই প্রত্যেকটি দেশের সাথে চীনের দ্বন্দ রয়েছে যা করোনা ভাইরাসের দরুন তীব্র এবং ভারত-চীন উত্তেজনায় তীব্রতর হয়ে উঠেছে।

এদিকে ভারত সরকার ৩৩ টি শক্তিশালী বিমান এমারজেন্সি হিসেবে রাশিয়া থেকে কেনার সিধান্ত নিয়েছে। যা খুব কঠোর ভাষায় ইঙ্গিত দিচ্ছে, চীনের একটা ভুল পদক্ষেপ তাদের ভূগোল পরিবর্তন করে দিতে পারে।
from India Rag https://ift.tt/2UYkMmU
Bengali News