ওয়েব ডেস্কঃ গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সিএএ এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদের নামে জ্বলেছিল গোটা দিল্লী। প্রতিবাদ থেকে হিংসাত্মক বিক্ষোভ। আর সেই বিক্ষোভ থেকে দাঙ্গা। জ্বলে যায় একের পর এক দোকান আর ঘরবাড়ি। দাঙ্গাবাজদের মার থেকে রেহাই পায়নি দিল্লী পুলিশও। দাঙ্গাবাজদের গুলিতে মারা যান দিল্লী পুলিশের হেড কনস্টেবল রতন লাল।
এছাড়াও দিল্লীর শাসক দল আম আদমি পার্টির কাউন্সিলর তাহির হুসেইনের নেতৃত্বে জ্বলে ওঠে দিল্লীর চাঁদবাগ এলাকা। তাহিরের গুন্ডারা আইবি অফিসার অঙ্কিত শর্মাকে ঘর থেকে বের করে এনে একের পর এক ছুরির আঘাত করে। এর ফলে মৃত্যু হয়ে অঙ্কিত শর্মা। পোস্ট মর্টেম রিপোর্টে অঙ্কিতের গায়ে ৪০০ এর বেশি ছুরির আঘাত পাওয়া গেছিল।
দিল্লী হিংসার আগুনে জ্বলে ওঠার পর প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশে মোদী সরকার এবং ভারত বিরোধী সংগঠন গুলো কট্টরপন্থী চিন্তাভাবনা আরও তীব্র হয়ে ওঠে। আগামী কিছুদিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশ সফরে যাচ্ছেন। আর সেই নিয়েই ক্ষেপে উঠেছে বাংলাদেশের মুসলিম সংগঠন গুলো। তাঁরা কোন মতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে দেশে ঢুকতে দেবে না জানিয়ে দিয়েছে। এমনকি তাঁরা বিমানবন্দরে জুতো হাতে দাঁড়িয়ে থাকবে সেটাও জানিয়েছে।
আরেকদিকে মোদী বিরোধিতার সাথে সাথে বাংলাদেশে শুরু হয়েছে হিন্দু বিরোধিতাও। এমনিতেই ইসলামিক দেশ বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের কাহিনী প্রায়ই শোনা যায়। আর এবার দিল্লীর হিংসার ঘটনা সামনে আসতেই বাংলাদেশের চট্টগ্রাম আন্দরকিল্লা জামে মসজিদ থেকে ঘোষণা করা হয় যে, জ্বালিয়ে দাও সব মন্দির। দেখুক মোদী সরকার। বাংলাদেশের এক ইউটিবারের চ্যানেলে এই ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে। এই ভিডিওর সত্যতা আমাদের পক্ষে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
from India Rag https://ift.tt/3cJrOmM
Bengali News