দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) গোকুলপুরী থানার বলিদানি পুলিশ হেড কনস্টেবল রতনলালের (Ratan Lal) পরিবারের সাথে দেখা করতে গিয়েছিলেন, যেখান থেকে তাকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল । জনগণ দিল্লির প্রধানের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয় এবং তাকে ভুক্তভোগীর পরিবারের সাথে দেখা না করেই ফিরে যেতে হয়েছিল। জানিয়ে দি যে, দিল্লিতে সহিংসতা সৃষ্টি করার পর থেকেই কেজরিওয়াল অনেক ধরনের নাটক শুরু করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আর তাই কখনও তিনি রাজঘাতে মৌন ধারণ করে ধরনা দিচ্ছেন, আবার কখনও প্রেস কনফারেন্সে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করছেন। এই পরিস্থিতিতে লোকেরা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে আছেন এবং এর ফলশ্রুতি তাকে বহনও করতে হচ্ছে।
সোমবার (২২ শে ফেব্রুয়ারী, ২০২০) উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে CAA বিরোধী দাঙ্গাকারীরা রতন লালকে হত্যা করেছিল। জানিয়ে দি, একজন অসাধারণ পুলিশ অফিসার ছিলেন রতন লাল, যিনি যেকোনো কঠিন কাজ করার জন্য প্রস্তুত থাকতেন। তিনি ২০১৩ সালে দুই আদিবাসী নারীর ধর্ষকদের গ্রেপ্তার করেছিলেন। রতনলালের স্ত্রীর তিনটি ছোট ছেলে মেয়ে আছে, যারা জিজ্ঞাসা করছে যে তাদের পিতাকে কেন হত্যা করা হয়েছে এবং তাদের বাবার কী দোষ ছিল? তিনি তার মাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে তিনি হোলির এই সময়টি পরিবারের সাথে তাঁর রাজস্থানের সিকরের ফতেহপুর তিহাবালি গ্রামে উদযাপন করবেন। তাঁর এই প্রতিশ্রুতি অসম্পূর্ণ থেকে গেল।
অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া বীরগতি প্রাপ্ত রতন লাল পরিবারের সাথে দেখা করতে আসায় বিক্ষুব্ধ লোকেরা ‘কেজরিওয়াল, গো ব্যাক’ এবং ‘গো ব্যাক কেজরিওয়াল’ বলে চিৎকার শুরু করে। এছাড়াও, কিছু অশ্লীল গালাগালিও দেয়। নীচে সংযুক্ত ভিডিওতে আপনি দেখতে পাচ্ছেন যে জনগণের বিরোধিতার কারণে কীভাবে কেজরিওয়ালকে সিসোদিয়াকে ফিরে যেতে হয়।
दिल्ली पुलिस के शहीद हेड काँस्टेबल रतन लाल के परिवार से मिलने पहुँचे सीएम @ArvindKejriwal को जनता ने शहीद के परिवार से मिलने से रोका, केजरीवाल वापस जाओ समेत कई आपत्तिजनक नारों के साथ धक्का मुक्की भी की गई।शहीद परिवार से बिना मिले केजरीवाल मनीष सिसोदिया के साथ वापस निकले। pic.twitter.com/Z8lrQwXThn
— VIPIN CHAUBEY (@chaubeyvipin1) February 25, 2020
https://platform.twitter.com/widgets.js
রতন লাল এর ছোট ভাই বলেছিলেন যে রতন শুরু থেকেই পুলিশ ইউনিফর্ম পরতে চেয়েছিল। ধৈর্য ধরে যাওয়ার তাঁর এক আশ্চর্য ক্ষমতা ছিল। তার ভাই বলেছেন যে তিনি রতনলালকে কখনও নিজের মেজাজ হারাতে বা কারও কাছে চিৎকার করতে দেখেননি। তার ছোট ভাই দীনেশ বলেছেন যে আজ সে তার ভাইকে হারিয়েছে, আগামীকাল তার জায়গায় অন্যকেও হতে পারে।
from India Rag https://ift.tt/37VoSjj
Bengali News