-->
Powered by Blogger.

Featured post

রুশ ইউক্রেনের টক্কর এখন অতীত! পাকিস্তানের মাটিতে পড়ল ভারতের সুপারসনিক মিসাইল

“বুদ্ধিমানের জন্য ইশারাই যথেষ্ট”-ভারতের (India) ডিফেন্স মিনিস্টার থেকে সম্প্রতি এক বার্তা আসার পর বিশেষজ্ঞরা একথা বলছেন। শুক্রবার পাকিস্তান...

Popular Posts

“দেশ ও সমাজ রক্ষার জন্য সেনা, সংবিধানের পর RSS এর প্রয়োজন”: সুপ্রিমকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি।

- January 08, 2019

সুপ্রিমকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি কেটি থমাস আরএসএস এর উপর বড় মন্তব্য করে দিয়েছেন। থমাস বলেছেন সংবিধান ও সেনার পর একমাত্র রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ ভারতীয়দের রক্ষা করতে সক্ষম। উনি এই মন্তব্য কেরলের কোয়াত্তম এলাকায় সঙ্ঘের একটা প্রশিক্ষণ শিবিরকে সম্বোধিত করতে গিয়ে বলেছেন। থমাস বলেন যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে যে ভারত দেশের লোক কেন সুরক্ষিত! তাহলে আমার উত্তর হবে- ভারতে সংবিধান আছে, লোকতন্ত্র আছে, সেনা আছে এবং ভাগ্যক্রমে আরএসএস আছে। উনি আরো বলেন, আপাতকালীন অবস্থায় কাউকে যদি দেশ সুরক্ষার শ্রেয় দেওয়া যেতে পারে তাহলে সেটা সঙ্ঘকেই দিতে হবে।

সঙ্ঘ আপাতকালীন অবস্থার বিরূদ্ধে কাজ করেছে এবং এটা সুনিশ্চিত করেছে যে আপাতকাল বেশি সময় ধরে দেশে চলতে পারে না। দেশের পূর্ব প্রধানমন্ত্রী ইন্দ্রীরা গান্ধীও এটা বুঝতে পেরেছিলেন।থমাস বলেন আমি এটা অনুভব করেছি যে সঙ্ঘ তার প্রত্যেক স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে দেশ সুরক্ষা করার একটা ভাব উৎপন্ন করে। উনি বলেন সাপ যেমন তার উপর আক্রমণকারীদের থেকে বাঁচার জন্যে শিকার করে তেমনি কোনো ব্যক্তির সাহস বা বাহাদুরি সবসময় অন্যকে আক্রমণ করার জন্য হয় না। থমাস বলেন, RSS এর প্রশংসা করা উচিত কারণ সঙ্ঘ মানুষকে শিখিয়েছে যে শারীরিক মজবুতি আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য হয়। আমি মনে করি যে যেকোনো সময় দেশ ও সমাজের সুরক্ষার জন্য শারীরিক মজবুতি অব্যশই প্রয়োজন যার শিক্ষা RSS প্রদান করে।

লক্ষণীয় বিষয় এই যে অবসরপ্রাপ্ত এই বিচারপতি কোনো সঙ্ঘ এর সদস্য বা বিজেপি ঘেঁষা ব্যাক্তি নন। বরং ইনি নিরপেক্ষ চিন্তাধারার ব্যাক্তি ঘেঁষা মানুষ। তা সত্ত্বেও উনি সততার সাথে RSS এর গুরুত্বকে সবার সামনে তুলে ধরেন। যদিও এই বিচারপতি ভারতকে ধৰ্মনিরপেক্ষ দেশ হিসেবেই দেখতে চান বলে জানান। উনি বলে ধৰ্মনিরপেক্ষ তার মধ্যে দিয়েই ধর্মের রক্ষা সম্ভব।থমাস জোর দিয়ে বলেন ভারত একমাত্র দেশ যেখানে সংখ্যালঘুদের জন্য আয়োগ তৈরি হয়ে রয়েছে। উনি বলেন তা সত্ত্বেও কিছুজনের ভারতে থাকা অসুরক্ষিত মনে হয়। আসলে সংখ্যালঘুরা কিছু সময় এমন এমন দাবি করে বসে যেগুলো ভারতের সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের কাছেও নেই।

জানিয়ে দি, কে থমাস ২০০২ সালে অবসর নিয়েছেন। থমাস তার মন্তব্যের জন্য বহুবছর থেকেই খবরের কাগজের শিরোনামে থাকেন। এবং এই ঘটনার পর অনেকেই ওনার বিরোধিতা করেন ! আর বামপন্থী ও কট্টরপন্থীরা এই বিচারপতির তীব্র বিরোধিতায় থাকেন।



from India Rag Bengali : Bangla Khobor, বাংলা খবর, Bangla News, 24 Ghanta, ei samay, ebela http://bit.ly/2RcMIUl
Bengali News
 

Start typing and press Enter to search