-->
Powered by Blogger.

Featured post

রুশ ইউক্রেনের টক্কর এখন অতীত! পাকিস্তানের মাটিতে পড়ল ভারতের সুপারসনিক মিসাইল

“বুদ্ধিমানের জন্য ইশারাই যথেষ্ট”-ভারতের (India) ডিফেন্স মিনিস্টার থেকে সম্প্রতি এক বার্তা আসার পর বিশেষজ্ঞরা একথা বলছেন। শুক্রবার পাকিস্তান...

Popular Posts

কলমা পড়তে হবে তবেই দেওয়া হবে রেশন: অমুসলিমদের সাথে পাকিস্তানে এভাবেই চলছে অত্যাচার

- April 09, 2020


ভারতবর্ষ এমন একটা দেশ যেখানে সংখ্যালঘুদের জন্য সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠদের ট্যাক্সের টাকায় সমস্ত সুযোগ সুবিধা প্রদান করে। ধর্মের ভেদাভেদ না দেখে ভারতীয় সমাজ সংখ্যালঘুদের উন্নয়নের জন্য নিজের ট্যাক্স দিতে কখনো সংকোচ বোধ করে না। অন্যদিকে ভারতের দুই প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান ও বাংলাদেশে যেভাবে অমুসলিমদের হেনস্থার শিকার হতে হয় তা খুবই কষ্টদায়ক। বিশেষকরে জিহাদের নামে ভারত ভাগ করে তৈরি পাকিস্তানে অমুসলিমদের উপর এতটাই অত্যাচার করা হয় যা যেকোনো সভ্য মানুষকে ক্রোধিত করবে।

পুরো বিশ্বের সাথে পাকিস্তানেরও অনেক জায়গায় লকডাউন চলছে। এই সময়কালে সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করার জন্য অফিসার কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানে ব্যাপকহারে অমুসলিমদের রেশন দেওয়ার ক্ষেত্রে ভেদাভেদ করা হচ্ছে। তাদের সামনে সহায়তা পাওয়ার পরিবর্তে কালমা পাঠের শর্ত রাখা হয়েছে।

ঘটনাটি করাচির কোরঙ্গি এলাকার। কলমা পড়তে অস্বীকার করায় খ্রিস্টানদের প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করতে অস্বীকার করা হয়েছে। স্থানীয় এক খ্রিস্টান মহিলার মতে, “তারা (প্রশাসন) আমাদের রেশন দেয়নি। তারা শর্ত রাখে যে রেশন পেতে গেলে আমাদের ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদুন রাসুলুল্লাহ’ পড়তে হবে তবেই রেশনটি পাওয়া যাবে। আমরা অস্বীকার করলে তারা রেশন দিতে অস্বীকার করে এবং চলে যেতে বলে। ” এই বিষয়টি উল্লেখযোগ্য যে কালমা-তৈয়ব ইসলাম ধর্মের সূত্র, ধর্ম রূপান্তর করানোর সময় এটি বলানো হয়। কথিত আছে যে ইসলাম গ্রহণের জন্য কালমা পড়া দরকার।

পাকিস্তান সম্ভবত একমাত্র দেশ যেখানে এই মহামারী চলাকালীনও ধর্মের ভিত্তিতে মানুষের সাথে ভেদাভেদ করার অভিযোগ প্রশাসনের উঠেছে। আন্তর্জাতিক মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রশাসন এই মুহুর্তে শুধুমাত্র মুসলমানদের সহায়তা করছে। হিন্দু ও খ্রিস্টানদের এই বলে খাওয়ার সামগ্রী দেওয়া হচ্ছে না যে তারা অমুসলিম। এই সব তখন ঘটেছে যখন অনেক প্রদেশের সরকার স্থানীয় এনজিও এবং প্রশাসনকে দৈনিক মজুরি শ্রমিকদের রেশন দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিল। এর পরে, জেলা প্রশাসন খাদ্য সরবরাহ বিতরণ করছে, তবে অমুসলিমদের সাথে ভেদাভেদ করছে।

এর আগেও, পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের সাথে মহামারী চলাকালীন যে ভেদাভেদ করা হচ্ছে সেই ভিডিও প্রকাশিত হয়েছিল। ভিডিওতে একজন অসহায় ব্যক্তিকে বলতে দেখা যাচ্ছে যে সিন্ধু প্রান্তে প্রশাসন হিন্দু-খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের লোকদের রেশন দিতে অস্বীকার করেছে। তাদের সহায়তা করা হচ্ছে না। তাদের খাবার দেওয়া হচ্ছে না।



from India Rag https://ift.tt/2XmMzj1
Bengali News
 

Start typing and press Enter to search